নীলগিরী ভ্রমণ ( Nilgiri Vromon )
নীলগিরি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ এবং সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র। বর্ষা মৌসুমে নীলগিরি
পর্যটন কেন্দ্র থেকে মেঘ ছোঁয়ার দূর্লভ সুযোগ রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নীলগিরি
থেকে সূর্যোদয়
ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। বান্দরবানের সবচেয়ে সুন্দর ও আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র
এটি। যা সেনা তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। বান্দরবান জেলা সদর থেকে নীলগিরি
পর্যটন কেন্দ্রের যোগাযোগ
ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় অধিকাংশ
পর্যটক দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসেন। আপনার মেঘ ছোয়ার ইচ্ছে থাকলে অশ্যই নীলগিরি ঘুরে আসতে পারেন। নীলগিরি পাহাড়ের চুড়া থেকে কেওক্রাডাং, বগালেক এবং দুরের সৌন্দর্য দেখা
যায়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অবারিত সবুজের সমারোহ আর মেঘ
ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে যার আছে সে বাংলাদেশের পাহাড়ী কন্যা বান্দরবান ঘুরে আসতে পারেন।
নীলগিরির অবস্থান
এটি বান্দরবন ( Bandarban ) জেলার থানচি উপজেলার বান্দরবন-থানচি রোডে অবস্থিত। বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্ব দিকে এই পর্যটন কেন্দ্রের অবস্থান। নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র একটা পাহাড়ের চুড়ায় অবস্থিত। নীলগিরির উচ্চতা প্রায় ৩ হাজার ফুট।নীলগিরী কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে কিংবা চট্টগ্রাম থেকে নীলগিরি যেতে চাইলে প্রথমেই আসতে হবে বান্দরবন জেলায়। বান্দরবন শহর থেকে নীলগিরি যাওয়ার জন্য জীপ এবং লোকাল বাস পাওয়া যায়। বান্দরবন শহর থেকে এক ঘন্টা পর পর থানচির উদ্দেশ্য বাস ছেড়ে যায় আর যদি ১০/১২ জন এর টিম হয় তাহলে সেই ক্ষেত্রে জীপ ভাড়া করে যাওয়া ভালো।নীলগিরি যাওয়ার পথে মিলনছড়ি, শৈল প্রপাত ঝর্ণা, সাইরু হিল রিসোর্ট, চিম্বুক পাহাড় এবং রাস্তার দুই পাশে প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য দেখতে পারবেন। নীলগিরিতে যদি মেঘের সাথে দেখা করতে চান তাহলে আপনাকে খুব ভোরে যেতে হবে। সকাল ৭/৮ টার ভেতর পৌছাতে পারলে মেঘের দেখা মেলার সম্ভাবনা আছে।
নীলগিরী কোথায় থাকবেন
নীলগিরিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত কটেজ আছে যেগুলোতে থাকার জন্য রুম প্রতি ভাড়া পড়বে ৪০০০ থেকে ১০০০০ টাকা। এখানে থাকার জন্য অবশ্যই একজন সেনাবাহিনী অফিসার পর্যায়ের রেফারেন্স নিয়ে ১ মাস আগে বুকিং দিতে হবে। রেফারেন্স ছাড়া বুকিং দেওয়া যায় না।নীলগিরিতে খাওয়ার জন্য একটা রেস্তোরা আছে এখানে খেতে পারবেন তবে এর জন্য আপনাকে আগে বুকিং দিতে হবে। আপনি খুব ভোরে নীলগিরি পৌছালে সে ক্ষেত্রে বান্দরবন ফিরে খেতে পারবেন। বান্দরবন শহরে কিছু পরিচিত খাবারে জায়গা হলো – রুপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট, কলাপাতা রেস্টুরেন্ট, মেঘদুত ক্যাফে, তাজিংডং রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি।




মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন