মানসিক,স্নায়বিক,মাথাব্যাথা,মৃগিরোগ,মাদকাশক্তি ইত্যাদিতে ভোগান্তি? তাহলে পড়ুন এই পোস্ট।
তৃতীয় বিশ্বের লোক আমরা।পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে নানাবিধ সমস্যা আমাদের নিত্যসঙ্গী।এই সঙ্গীকে সঙ্গ দিতে গিয়ে আমরা পরে যাই মানসিক,স্নায়বিক,মাথাব্যাথা,মৃগিরোগ,মাদকাশক্তি ইত্যাদি সমস্যার বেড়াজালে।যেখান থেকে বের হওয়ার পথ আমরা খুজে বেড়াই।
তেমনি কিছু সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আমার এ পোস্ট।
যেগুলো আমি জেনেছি বিভিন্ন বই ও মাগাজিন পড়ে।
সমস্যা ১-
নিজেকে ছোট মনে করা,চেহারায় দুঃখী ভাব ওএকা থাকা,অল্পতে ভয় পাওয়া,পরিবারের সবার নিকট থেকে দূরে থাকা,
টেনসান করা। আত্নবিশশাস ও সাহস দুইই কম।নিজেকে দিয়ে কিছু হবে না এই রকম ভাবা।
প্রচন্ড রকম আবেগপ্রবন,নিজেকে পাগল মনে করা।শারীরিক দুরবলতা জন্য বিষন্ন থাকা।
কোনো মানুশের মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে না পারা।
প্রচন্ড রকম লাজুক যার কারনে নিজেকে সঠিক ভাবে প্রকাশ করতে না পারা।
সমাধান ১-
এই সমস্যার নাম সোশাল ফোবিয়া।এর জন্য ওষুধের পাশাপাশি সাইকোথেরাপি দরকার।
আসলে সাইকোথেরাপির কোনো বিকল্প নেই।
ওষুধ হিসেবে ক্যাপ্সুল প্রদিপ ২০ মিলিগ্রাম প্রতিদিন সকালে ১ টি করে সেবন করতে হয়।
ট্যাবলেট রিভোট্রিল ২ মিলিগ্রাম প্রতিদিন অধেক করে খেতে হয়।
সমস্যা ২-
খাদ্য ঠিক মত হজম হয় না।সাদা আমাশয় সহ দিনে তিন চার বার পায়খানা হওয়া। পেটে গ্যাস হওয়া,আত্নহত্যা করতে ইচ্ছা করা।
রাতে ভাল হগুম হয় না।
চিন্তা করতে করতে ভোর হয়। লজ্জার কারনে কার সামনে জেতে ইচ্ছা করে না।
চোক কোটরের মধ্যে ঢুকে গেছে।
সমাধান ২-
এই সমস্যার নাম ইরটেবল বাওয়েল সিনড্রোম। দীঘ্রদিন এই রেগে ভোগার কারনে বিষন্নতা সমস্যাগুলো প্রকট আকারে দাঁড়িয়ে যায়।
ওষুধ সেবনে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। ট্যাবলেট অ্যামিট্রিপটাইলিন ২৫ মিলিগ্রাম প্রতিদিন সকালে ও রাতে ১ টি করে খেতে হয়। রাতের
ওষুধ টা খালি পেটে খেলে সবথেকে ভাল হয়।
*****************************************************
আজ এই পর্যন্ত। সময় করে আবার নতুন কিছু সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আসব।সবাই ভাল থাকবেন।
তেমনি কিছু সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আমার এ পোস্ট।
যেগুলো আমি জেনেছি বিভিন্ন বই ও মাগাজিন পড়ে।
সমস্যা ১-
নিজেকে ছোট মনে করা,চেহারায় দুঃখী ভাব ওএকা থাকা,অল্পতে ভয় পাওয়া,পরিবারের সবার নিকট থেকে দূরে থাকা,
টেনসান করা। আত্নবিশশাস ও সাহস দুইই কম।নিজেকে দিয়ে কিছু হবে না এই রকম ভাবা।
প্রচন্ড রকম আবেগপ্রবন,নিজেকে পাগল মনে করা।শারীরিক দুরবলতা জন্য বিষন্ন থাকা।
কোনো মানুশের মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে না পারা।
প্রচন্ড রকম লাজুক যার কারনে নিজেকে সঠিক ভাবে প্রকাশ করতে না পারা।
সমাধান ১-
এই সমস্যার নাম সোশাল ফোবিয়া।এর জন্য ওষুধের পাশাপাশি সাইকোথেরাপি দরকার।
আসলে সাইকোথেরাপির কোনো বিকল্প নেই।
ওষুধ হিসেবে ক্যাপ্সুল প্রদিপ ২০ মিলিগ্রাম প্রতিদিন সকালে ১ টি করে সেবন করতে হয়।
ট্যাবলেট রিভোট্রিল ২ মিলিগ্রাম প্রতিদিন অধেক করে খেতে হয়।
সমস্যা ২-
খাদ্য ঠিক মত হজম হয় না।সাদা আমাশয় সহ দিনে তিন চার বার পায়খানা হওয়া। পেটে গ্যাস হওয়া,আত্নহত্যা করতে ইচ্ছা করা।
রাতে ভাল হগুম হয় না।
চিন্তা করতে করতে ভোর হয়। লজ্জার কারনে কার সামনে জেতে ইচ্ছা করে না।
চোক কোটরের মধ্যে ঢুকে গেছে।
সমাধান ২-
এই সমস্যার নাম ইরটেবল বাওয়েল সিনড্রোম। দীঘ্রদিন এই রেগে ভোগার কারনে বিষন্নতা সমস্যাগুলো প্রকট আকারে দাঁড়িয়ে যায়।
ওষুধ সেবনে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। ট্যাবলেট অ্যামিট্রিপটাইলিন ২৫ মিলিগ্রাম প্রতিদিন সকালে ও রাতে ১ টি করে খেতে হয়। রাতের
ওষুধ টা খালি পেটে খেলে সবথেকে ভাল হয়।
*****************************************************
আজ এই পর্যন্ত। সময় করে আবার নতুন কিছু সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আসব।সবাই ভাল থাকবেন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন