নকিয়া কেয়ারের কেয়ারিং
আজকাল পেপার পত্রিকা পড়তে গেলে, টিভি খুললেই কিংবা রাস্তার চারপাশের সাইনবোর্ডে কেয়ার শব্দটা খুব চোখের সামনে নাচানাচি করে। "হেয়ার কেয়ার", "ত্বক কেয়ার", "ডেন্টাল কেয়ার", "টিভি কেয়ার" ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমি এখন যেটা লিখছি সেটা এগুলোর একটিও না। লেখার বিষয় "মোবাইল কেয়ার" গোত্রের সবচেয়ে এক্সক্লুসিভ জাত "নোকিয়া কেয়ার" নিয়ে। আমি বর্তমানে এই এক্সক্লুসিভ জাতটি নিয়া খুবই বদহজম এর মধ্যে আছি।
তিন চার বছর ধরিয়া অধম গরিবী হালের একটা নকিয়া মোবাইল ব্যবহার করে আসিতেছে।কিন্তু কিছুদিন আগে এই গরিবের একটি ঘোড়া রোগ উঠলাইয়া ঊঠিল আর তাহা হইল একটি অতিশয় ভালো মোবাইল ফোন কিনিতে হইবে যাহা দিয়া সুমধুর গান শ্রবন করা যাইবে, চান্স পাইলে ঠুস করিয়া কোনো সুন্দরী ললনার ছবি তোলা যাইবে, আবার ভিডিও ও করা যাইবে।অতঃপর গরিব অতিশয় চিন্তা ভাবনা করিয়া একটি নকিয়া মোবাইল কেনার সিন্ধান্ত গ্রহন করিল।কারন শোনা যায় মোবাইল এর এই জাতটি বহুদিন টিকিয়া থাকে আর এর সারা দেশে ২৮ জন মাসতুতো ভাই আছে, যাহারা পরবর্তীতে মোবাইলটি নষ্ট হইয়া গেলে অতিশয় আদরের সহিত তাহা ঠিক করিয়া দিবে।কিন্তু গরিবের মনের সুখ বেশিদিন টিকিল না। কেনার ২০ দিনের মাথায় মোবাইলটির সুন্দর মুখমন্ডলে চাঁদের কলঙ্কের ন্যয় কিছু দাগ দেখা দিল।
তিন চার বছর ধরিয়া অধম গরিবী হালের একটা নকিয়া মোবাইল ব্যবহার করে আসিতেছে।কিন্তু কিছুদিন আগে এই গরিবের একটি ঘোড়া রোগ উঠলাইয়া ঊঠিল আর তাহা হইল একটি অতিশয় ভালো মোবাইল ফোন কিনিতে হইবে যাহা দিয়া সুমধুর গান শ্রবন করা যাইবে, চান্স পাইলে ঠুস করিয়া কোনো সুন্দরী ললনার ছবি তোলা যাইবে, আবার ভিডিও ও করা যাইবে।অতঃপর গরিব অতিশয় চিন্তা ভাবনা করিয়া একটি নকিয়া মোবাইল কেনার সিন্ধান্ত গ্রহন করিল।কারন শোনা যায় মোবাইল এর এই জাতটি বহুদিন টিকিয়া থাকে আর এর সারা দেশে ২৮ জন মাসতুতো ভাই আছে, যাহারা পরবর্তীতে মোবাইলটি নষ্ট হইয়া গেলে অতিশয় আদরের সহিত তাহা ঠিক করিয়া দিবে।কিন্তু গরিবের মনের সুখ বেশিদিন টিকিল না। কেনার ২০ দিনের মাথায় মোবাইলটির সুন্দর মুখমন্ডলে চাঁদের কলঙ্কের ন্যয় কিছু দাগ দেখা দিল।
গরিব মুহুর্তের মধ্যে ছুটিল নগরীর বসুন্ধরা সিটিতে অবস্হিত মোবাইলটির সবচেয়ে বলবান মাসতুতো ভাই “নকিয়া কেয়ার” র কাছে। মাসতুতো ভাই আবার খুব লাজুক, সামনে আসেননা।তাই তার সব কাজ করার জন্য রহিয়াছে অত্যাধিক সুন্দর কতিপয় রোবট। যেমন তাহাদের রূপ তেমনি কন্ঠস্বর।আর তাহাদের মুখনিঃসৃত বানী যেন অমৃতের ঝরনা ধারা। রোবটরা কহিল মোবাইলের মুখমন্ডল পরিবর্তন করিতে হইবে আর তিন দিন সময় লাগিবে। কহিতে কহিতে তিন দিন কাটিয়া গেলো। গরিব মহাআনন্দে নাচিতে নাচিতে মাসতুতো ভাইয়ের নিকট গেলো।কিন্তু হায়। রোবট কহিল তাদের কাছে মুখমন্ডলটি নাই। ভিনদেশ হইতে আনিতে হইবে। আরো সাতদিন লাগবে। গরিব বিষন্ন চিত্তে ফিরিয়া আসিল। সাতদিন পরেও রোবট মধুর কন্ঠে সেই একই কথা বলিল। গরিব বাকরুদ্ধ হইয়া গেলো। মাস কাটিয়া গেলো। কিন্তু নকিয়ার মাসতুতো ভাই “নকিয়া কেয়ার” অদ্যবধি মুখমন্ডলটি তাহাদের ভাষায় ভিনদেশ হইতে সংগ্রহ করিতে পারেনাই।আজগে সুন্দর রোবট গরিব কে সেপ্টেম্বরের ৮ তারিখের মুলা দেখাইয়া শান্ত করিয়াছে। আর গরিব এখন মোটামুটি তাহার প্রিয় মোবাইল ফোনের আশা ছাড়িয়া দিয়া দিনের আলোয় তারা গুনিতেছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন