পোস্টগুলি

২০২২ সালের সরকারি ছুটির তালিকা ( বাংলাদেশ ক্যালেন্ডার )

ছবি
সরকারি ছুটির তালিকা ২০২২: সাধারণ, নির্বাহী আদেশ ও ঐচ্ছিক ছুটির বিবরন ২০২২ সালের ছুটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি দপ্তর সমুহে এবার ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং নির্বাহী আদেশে ৮ দিন ছুটি থাকবে। এরমধ্যে ৩ দিন করে মোট ৬ দিন সাপ্তাহিক ছুটির (শুক্র-শনি) মধ্যে  পড়েছে । ঐচ্ছিক ছুটি হিসাবে মুসলিম পর্বে ৫দিন, হিন্দু পর্বে ৮ দিন (২ দিন সাপ্তাহিক ছুটি সহ), খ্রিষ্টান পর্বে ৮ দিন (৪ দিন সাপ্তাহিক ছুটি সহ) এবং বৌদ্ধ পর্বে ৫ দিন (১ দিন সাপ্তাহিক ছুটি সহ) ছুটি থাকবে। একজন কর্মচারীকে তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে অনধিক ৩ দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় কর্তৃক প্রকাশিত ছুটির তালিকা, টিচার নিউজ বিডি এর সম্মানীত পাঠকদের জন্য এর অনুলিপি নিচের অনুচ্ছেদে সংযুক্ত করা হলো। ২০২২ সালের সরকারি ছুটির তালিকা দেখতে ও পড়তে অসুবিধা হলে, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ছুটির প্রজ্ঞাপন (ক্যালেন্ডার) সংগ্রহ করুন এখান থেকে ।

Bogalake, Bandarban

ছবি
Bogalake, Bandarban পাহাড়ি কন্যা বান্দরবানের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হননি এমন পর্যটক হয়ত খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ভ্রমণপিপাসুরা নানা কর্মব্যস্ততার ফাঁকে সুযোগ পেলেই চলে যান বান্দরবানে, আর নিজেকে হারিয়ে ফেলেন পাহাড়ি সৌন্দর্যে। তবে যারা বান্দরবানের নীলাচল, মেঘলা আর নীলগিরি ভ্রমণ করেই মনে করেন বান্দরবানের সব সৌন্দর্য দেখে ফেলেছেন তাদের বলছি, বান্দরবানের আরো ভেতরে যে কত সৌন্দর্যে মোড়ানো স্থান লুকিয়ে আছে সেটা শুধু গেলেই উপলব্ধি করতে পারবেন। তেমনি একটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থান বগা লেক। এই বান্দরবানের এক রহস্যময় ও আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান হচ্ছে বগালেক।  রহস্যময় বলছি এই কারণে যে, বগালেকের উৎপত্তি নিয়ে আছে নানারকম উপকথা, যা সেখানে গেলেই শুনতে পারবেন আদিবাসীদের মুখে মুখে। প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে এখানে পাহাড়ের উপর জলরাশি সঞ্চার করে তৈরি করেছে বগালেক বা বগা কানাই হ্রদ; যা বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেঁষে অবস্থিত। সমুদ্র সমতল হতে প্রায় ১৭০০ ফিট উপরে পাহাড় চূড়ায় ১৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই অত্যাশ্চর্য হ্রদটি। এই হ্রদটি তিনদিক থেকে পর্বতশৃঙ্গ দ্বারা বেষ্টিত। বগালেকে...

Rangamati, Jurachari ( জুরাছড়ি ভ্রমণ , রাঙামাটি )

ছবি
Rangamati, Jurachari যাদের ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য , থাইল্যান্ড, বা মালদ্বীপের বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত কিংবা পাহাড় ঘেরা মনোমুগ্ধকর জলরাশি দেখার সুযোগ হয়নি তারা সেই সৌন্দর্য দেখতে পাবেন রাঙামাটির গহীনের সৌন্দর্য জুরাছড়িতে। পাহাড় তলায় জলের শরীরে বুক পর্যন্ত ডুবে থাকা জুরাছড়ির অপরূপ রূপ অনেক পর্যটকদের চোখের আড়ালেই রয়ে গেছে। অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি এ স্থানটি না দেখলে আপনার রাঙামাটি ভ্রমণ হবে অসম্পূর্ণ। রাঙামাটি সদর থেকে ৫৭ কিলোমিটার দূরে জুরাছড়ির অবস্থান। জুরাছড়ি নামের ঝর্ণা থেকে এই উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। এই এলাকার একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম হলো নৌপথ। প্রায় ২৭ হাজার লোকের বসতি এই জুরাছড়ি উপজেলায়। এদের অধিকাংশই চাকমা সম্প্রদায়ের। এ ছাড়া রয়েছে মুসলমান, হিন্দু, রাখাইন, মারমা, তংচ্যাংগা, প্যাংকো, ত্রিপুরা, কিয়াং, মরুং ও বোম সম্প্রদায়ের বসবাস। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি জুরাছড়ির সৌন্দর্যের অন্যতম অনুষঙ্গ। পাহাড় কন্যা জুরাছড়ি সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য তার রূপের পসরা সাজিয়ে বসে আছে কাপ্তাই হ্রদের কোলজুড়ে। পুরো জুড়াছড়ির অকৃত্রিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে মায়াময় এক...

শামলাপুর সমুদ্র সৈকত, কক্সবাজার ( Shamlapur sea beach, Coxbazar )

ছবি
প্রবল বেগে বয়ে আসা সমুদ্রের ফেনিল স্রোতের তটে আছড়ে পড়া, নির্জনতায় শুধু সমুদ্রের গর্জন। বিকেলের সোনালী নরম আলোয় পুরো সৈকতটি যেন কোনো পটে আঁকা ছবি।  সৌন্দর্যের সব অনুষঙ্গ দিয়েই যেন প্রকৃতি সাজিয়েছে শামলাপুর সমুদ্র সৈকতটি। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতগুলোতে থাকে কোলাহল, মানুষের ভিড়, আর হৈ-হুল্লোড়। আপনি যদি কোলাহল মুক্ত সৈকতে নির্জনে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান, তবে শামলাপুর সমুদ্র সৈকত আপনার জন্য আদর্শ ভ্রমণ গন্তব্য। এখানকার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে অপার নির্জনতা আপনাকে ডুবিয়ে ফেলবে চিন্তার জগতে। প্রশান্তিময় পরিবেশে এক অকৃত্রিম সৌন্দর্যের দেখা মিলবে এই সমুদ্র সৈকতে। এই সৈকতটিকে অনেকে বাহারছড়া সৈকত বলেও ডেকে থাকে। সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ শহর ছেড়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে প্রায় বিশ কিলোমিটার গেলে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন শিলখালী গর্জন বন। সুউচ্চ গর্জন গাছের ভেতর দিয়ে চলে যাওয়া মেরিন ড্রাইভ সড়কটির ধরে আরো প্রায় দশ কিলোমিটার গেলেই নির্জন এই সমুদ্র সৈকত। বাহারছড়া ইউনিয়নে শামলাপুর বীচ এর অবস্থান। শামলাপুর সৈকতের ঝাউবনে পাবেন অপরূপ সবুজের ছোঁয়া। মাছ ধরার ট্রলার কিংবা সমুদ্রসৈকতে ...

রিছাং ঝর্ণা, খাগড়াছড়ি

ছবি
খাগড়াছড়ির বেশ কয়েকটি ঝর্ণার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় ‘রিছাং ঝর্ণা’। পাহাড়ের বুক বেয়ে প্রায় ১০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ছে ঝর্ণার জলরাশি। পাহাড়ের ঢালু গড়িয়ে নিচে নেমে যাচ্ছে স্বচ্ছ পানির প্রবাহ। ২০০৩ সালে ভ্রমণ পিপাসুদের নজরে আসা রিছাং ঝর্ণা সময়ের ব্যবধানে খাগড়াছড়ির অন্যতম পর্যটন স্পট হিসেবে নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। জেলা সদর থেকে আলুটিলা পেরিয়ে সামান্য পশ্চিমে মূল রাস্তা থেকে উত্তরে ঝর্ণা স্থানের দূরত্ব সাকুল্যে প্রায় ১১কিঃ মিঃ। ঝর্ণার সমগ্র যাত্রা পথটাই দারুণ রোমাঞ্চকর। যাত্রাপথে দূরের উঁচু-নিচু সবুজ পাহাড়, বুনোঝোঁপ, নামহীন রঙ্গিন বুনো ফুলের নয়নাভিরাম অফুরন্ত সৌন্দর্য যে কাউকে এক কল্পনার রাজ্যে নিয়ে যায়।ঝর্ণার কাছে গেলে এক পবিত্র স্নিগ্ধতায় দেহমন ভরে উঠে। ১০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে আছড়ে পড়ছে ঝর্ণার জলরাশি, ঢালু পাহাড় গড়িয়ে নীচে নেমে যাচ্ছে এই প্রবাহ। কাছাকাছি দুটো ঝর্ণা রয়েছে এ স্থানে, প্রতিদিন বহু সংখ্যক পর্যটক এখানে এসে ভিড় জমান এবং ঝর্ণার শীতল পানিতে গা ভিজিয়ে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হন। মারমা ভাষায় এর নাম রিছাং ঝর্ণা, ‘রি’ শব্দের অর্থ পানি আর ‘ছাং’ শব্দের অর্থ গড়িয়ে পড়া। যার অন্য নাম ...

Marine drive road, Coxbazar

ছবি
মেরিন ড্রাইভ রোড, কক্সবাজার ( Marine drive road, Coxbazar ) বর্তমানে কক্সবাজার ভ্রমনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ রোড। ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোড কক্সবাজারের কলাতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরিন ড্রাইভ রোডের এক দিকে রয়েছে উত্তাল সমুদ্র সৈকত আর অন্য দিকে রয়েছে সবুজের ঢাকা ছোট-বড় পাহাড়। আবার কোথাও কোথাও পাহাড়ের গা বেয়ে ঝর্ণা ধারার দেখা মিলে। মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে যেতে যেতে বিস্তৃত সাগরের সমস্ত সৌন্দর্য আহরণ ও জেলেদের সাগরে মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। সেই সাথে সমুদ্র সৈকতে দেখা মিলবে টেকনাফ গর্জন ফরেস্ট খ্যাত চিরহরিৎ বন। কক্সবাজারের কলাতলী বা সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে খোলা জিপ, মাইক্রোবাস, সিএনজি কিংবা অটোরিকশায় মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে হিমছড়ি ও ইনানী সমুদ্র সৈকত যাওয়া যায়।  মেরিন ড্রাইভ রোড কিভাবে যাবেন  মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে কক্সবাজার আসতেই হবে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার বিভিন্ন উপায়ে আসা যায়। ঢাকা থেকে সৌদিয়া, এস আলম মার্সিডিজ বেঞ্জ, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস.আলম পরিবহন, মডার্ন লাইন ইত্য...

কাট্টলী সমুদ্র সৈকত, চট্টগ্রাম

ছবি
সুনীল সাগরের সৌন্দর্য দুর্নিবার আকর্ষণে টানে সকল ভ্রমণ প্রেমীদের। তাই সকল ব্যস্ততাকে পিছনে ফেলে তারা ছুটে যায় সমুদ্রের কোলে। সমুদ্রের জলে শ্রান্ত মন-প্রাণকে করে তোলে প্রাণবন্ত। বাংলাদেশের সমুদ্র সৈকত বলতে আমরা কক্সবাজার, পতেঙ্গা বা কুয়াকাটাকেই বুঝি। তবে এর বাহিরেও যে আরো বেশ কয়েকটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। এমন একটি নিরিবিলি সমুদ্র সৈকত হল চট্টগ্রামের কাট্টলী সমুদ্র সৈকত। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এই সৈকতটি এখনো অনেক পর্যটকদের অগোচরে রয়ে গেছে। চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার দূরে পাহাড়তলি থানার সাগরিকা জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের পাশে এ সৈকতটির অবস্থান। এই সৈকতটির আরেকটি নাম হল জেলেপাড়া সমুদ্র সৈকত। সৈকতটির নৈসর্গিক সৌন্দর্য সহজেই বিমোহিত করে প্রকৃতি-প্রেমীদের। একদিকে সমুদ্র সৈকত আর অন্যদিকে গ্রামীণ পরিবেশ অন্য কোন সৈকতে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই সৈকতটির আরেকটি নাম সাগরিকা সমুদ্র সৈকত। চট্টগ্রাম শহর থেকে টোল সড়ক ধরে সহজেই পৌঁছুতে পারবেন এখানে। যারা জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসেন তাদের জন্য এই সমুদ্র সৈকতটি একটি আদর্শ ভ্রমণ স্পট। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মৃদুমন্দ...

টেকনাফ সমুদ্র সৈকত ( Teknaf Sea Beach )

ছবি
টেকনাফ সমুদ্র সৈকত ( Teknaf Sea Beach ) কোলাহলহীন নিশ্চুপ সৈকতে বসে শুনতে চান সাগরের তীব্র গর্জন? তীরে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের মূর্ছনায় হয়ে যেতে চান আনমনে? যদি অপার নির্জনতায় উপভোগ করতে চান সুনীল সমুদ্রের সৌন্দর্য তবে আপনাকে যেতে হবে টেকনাফ সমুদ্র সৈকত। আপনার নির্জনে প্রশান্তিময় অবকাশ যাপনের জন্য আদর্শ ভ্রমণ গন্তব্য হতে পারে এই সমুদ্র সৈকত। ঝাউগাছের সারি, বালুর নরম বিছানা, তার সামনে বিশ্রামরত মাছ ধরার ট্রলার। আর সামনে অপরূপ বঙ্গোপসাগর। সাগরের আছড়ে পড়া ঢেউ আর সৈকত জুড়ে চমৎকার নীরবতা। সবমিলিয়ে অনন্য রূপের শিল্পীর তুলিতে আঁকা এক ছবি এই টেকনাফ সৈকত। কক্সবাজার সদর থেকে টেকনাফের দূরত্ব প্রায় ৮৬ কিলোমিটার। টেকনাফ শহর ছাড়িয়ে দক্ষিণে আরো পাঁচ কিলোমিটার দূরে সবচেয়ে নিরিবিলি ও পরিচ্ছন্ন এই সমুদ্র সৈকতটি অবস্থিত। দেশের অন্যান্য সৈকতগুলোর চেয়ে এই সৈকতটি একেবারে আলাদা। এতো বাহারি সাজের জেলে নৌকা বাংলাদেশের আর কোনো সাগর পাড়ে দেখা যায় না। অবিচ্ছেদ্য এক নির্জনতা এখানে বিরাজ করে পুরো সৈকত জুড়ে। বেশিরভাগ সৈকতে মানুষের আনাগোনা থাকে বেশি। কিন্তু এখানে এলে অপার এক নিস্তব্ধতা গ্রাস করবে আপনাকে। শুধু কানে আসবে প্রচণ্...

সুপ্তধারা ঝর্ণা- ঝর্ণা প্রেমীদের প্রেমিকা

ছবি
বর্ষাকাল ঝর্ণা প্রেমীদের জন্য আদর্শ সময়। ঝর্ণাগুলোও এইসময় পূর্ণ রূপ আর যৌবন নিয়ে হাজির হয়। এইসময় নিবিড় সজীবতা ধারণ করে প্রকৃতি। চির সবুজ গাছপালা ঘেরাও পাহাড় হতে অবিরাম ধারায় ঝরে পড়া জল আশ্চর্য ভাব জাগায় মনে। বর্ষা ব্যতীত বছরের অন্যান্য সময় প্রায় শুষ্ক থাকা একটি ঝর্ণা সুপ্তধারা। কেবল বর্ষা ঋতুতেই এটি অম্লান বদনে হাজির হয় আর মুগ্ধ করে সকলকে এর প্রাণচাঞ্চল্য রূপে। চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার চন্দ্রনাথ রিজার্ভ ফরেস্ট ব্লকের চিরসবুজ বনাঞ্চল সমৃদ্ধ সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে সুপ্তধারা ঝর্ণাটি অবস্থিত। ইকোপার্কটি চট্টগ্রাম শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং রেলপথের পূর্ব পাশে অবস্থিত। এই ইকো পার্কের মধ্যেই সুপ্তধারার খুব কাছে সহস্রধারা ঝর্ণা নামে আরেকটি ঝর্ণা আছে। তাই একসাথে দুইটা ঝর্ণাই দেখা হয়ে যাবে এখানে আসলে। দেশের অন্যান্য ঝর্ণাগুলো মূলত গহীন পাহাড়ে মধ্যে অবস্থিত। দীর্ঘ পথ হাঁটার এবং ট্র্যাকিং এর অভ্যাস না থাকায় সেখানে পৌঁছানো অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে যায় অনেকের জন্য। তাদের জন্য বলা যায় এই ঝর্ণাটি প্রায় হাতের নাগালেই অবস্থিত। এক দেড় ঘণ্টার পাহাড়ি পথ ও ৪০০/৫০০ সিঁড়ি ...

বান্দরবানের ইতিহাস ( History of Bandarban )

ছবি
বান্দরবানের ইতিহাস ( History of Bandarban ) বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের প্রচলিত রূপ কথায় আছে অত্র এলাকায় একসময় বাস করত অসংখ্য বানর । আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশ মুখে ছড়ার পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃ্দ্ধি পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পাড় হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে এই জায়গাটির পরিচিতি লাভ করে "ম্যাঅকছি ছড়া " হিসাবে । অর্থ্যাৎ মার্মা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ বানর আর ছিঃ অর্থ বাঁধ ।  কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রুপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে । বর্তমানে সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রুপ লাভ করেছে। তবে মার্মা ভাষায় বান্দরবানের প্রকৃত নাম "রদ ক্যওচি ম্রো"। জেলা রূপে আবির্ভাব বৃটিশ শাসন আমলে ১৮৬০ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামকে জেলা ঘোষণা করা হয়। তৎকালীন সময়ে বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার অধীন ছিলো। ক্যাপ্টেন মাগ্রেথ ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রা...