E-passport

ই-পাসপোর্ট ( E-Passport )

ই পাসপোর্ট কথাটা আমরা বেশ কিছু আগে থেকে শুনে আসছি। এর কারণ গত বছরেই অর্থাৎ ২০১৯ সালের জুলাই মাসের দিকেই ই-পাসপোর্ট চালু করার কথা ছিল। কিন্তু কিছু সমস্যার কারণে সেই তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে মুজিব বর্ষ ২০২০ এর অন্যতম নতুন সংযোজন হিসেবে ২২ জানুয়ারী ২০২০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক ভাবে ই-পাসপোর্ট কর্মসূচীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এখন থেকে যেকোন বাংলাদেশী প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ই- পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। উল্লেখ্য এই যে দক্ষিন এশিয়ার প্রথম দেশ এবং পৃথিবীর ১২০ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রবেশ করল ই- পাসপোর্টের যুগে। সবার আগে এই প্রযুক্তি এনেছিল মালয়েশিয়া, ১৯৯৬ সালে।

ই-পাসপোর্ট কি ( What is E-Passport )

ই পাসপোর্ট হল একটি পাসপোর্ট যাতে ইলেক্ট্রনিক মাইক্রো প্রোসেসর চিপ লাগানো থাকবে। আপাতত দৃষ্টিতে পাসপোর্ট বইটি দেখে কোন কিছু বুঝা যাবে না। দেখতেও অনেকটা MRP পাসপোর্টের মতই। কিন্তু ভিতরে সংযুক্ত চিপটি এম আর পি (মেশিন রিডেবোল পাসপোর্ট) আর ই পাসপোর্টের মধ্যেকার প্রধান পার্থক্য সৃষ্টি করেছে। এই চিপের মধ্যে আছে বায়োমেট্রিক তথ্য যা পাসপোর্টধারীর যাবতীয় তথ্য বহন করে। এতে মাইক্রো প্রসেসর চিপ এবং অ্যান্টেনা সহ স্মার্ট কার্ডের প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

বর্তমানে ই পাসপোর্টে যে সব বায়মেট্রিক সংরক্ষণে থাকবে তা হল পাসপোর্ট ধারীর ছবি, ১০ আঙ্গুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং চোখের আইরিশ।ই বর্ডার বা ইলেক্ট্রনিক বর্ডার কন্ট্রোল সিস্টেমের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাই করা হয়ে থাকে। পাব্লিক কিই ইনফ্রাস্ট্রাকচার (PKI) এর মাধ্যমে চিপে সংরক্ষিত ডাটা যাচাই করা হয়ে থাকে। এতে থাকবে পাসপোর্টধারীর ৩ ধরনের ছবি, ১০ আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি।

ই-পাসপোর্টের সুবিধা ( Advantage of E-Passport )

ই পাসপোর্টের সবচাইতে বড় সুবিধা হল ই পাসপোর্টধারীরা বিশেষ ই – গেট ব্যাবহার করে খুব দ্রুত ইমিগ্রেশন পার হতে পারবেন। এজন্য তাদেরকে ভিসা চেকিং এর লাইনের দাড়াতে হবে না। এতে করে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শেষ হবে। উল্লেখ্য যে এই ই – গেট শুধুমাত্র ই পাসপোর্টধারীরাই ব্যাবহার করতে পারবেন
ই পাসপোর্টধারী দেন জন্য বিশেষ ই গেট, যা ইমিগ্রেশনের ঝামেলা অনেক কমিয়ে দিবে

ই-গেটের কাছে দাড়িয়ে নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট রাখলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে ছবি তুলে নেয়া হবে। এর পর আঙ্গুলের ছাপ পরিক্ষা করে নেয়া হবে সহজেই। কোন সমস্যা না থাকলে খুব দ্রুত শেষ হবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া। আর কোন ঝামেলা থাকলে লাল বাতি জলে উঠবে এবং পাসপোর্টধারীকে সমস্যা সমাধান না হউয়া পর্যন্ত ইমিগ্রেশন পার হতে দেয়া হবে না।
এই সিস্টেমের পরিচালিত হবে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অরগানাইজেশন (আইসিএও) দ্বারা। একারণে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ থেকে দেশের পুলিশ প্রশাসন, ইন্টারপোল ও বিভিন্ন বিমান বন্দর ও স্থলবন্দর অথোরিটি সহজেই এই সব তথ্য যাচাই করতে পারবে। এই পদ্ধতিতে ৩৮ লেয়ার বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যাবস্থা থাকায় কোন জাল বা সমস্যা যুক্ত পাসপোর্টধারী এই নিরাপত্তা ব্যুহ অতিক্রম করতে পারবে না। এতে করে সন্ত্রাসবাদ সহ অন্যান্য অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশেই কমে যাবে এটা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়।

ই-পাসপোর্ট করতে কি লাগবে

  • ই-পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
  • জন্ম নিবন্ধন পত্র

ই-পাসপোর্টের আবেদন কিভাবে করবেন ( How to apply for E-Passport )

ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে হলে প্রথমে (www.epassport.gov.bd) এই ওয়েবসাইটে লগ ইন করতে হবে। ওয়েবসাইটে ঢুকে ডিরেক্টলি টু অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনে (Directly to online application) ক্লিক করতে হবে।

প্রথম ধাপে বর্তমান ঠিকানার জেলা শহরের নাম ও থানার নাম নির্বাচন করে ক্লিক করতে হবে। পরের ধাপে ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত ই-পাসপোর্টের মূল ফরমটি পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। তৃতীয় ধাপে মেয়াদ ও পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা অনুযায়ী ফি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে যে কোনো ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দিয়ে অনলাইনে পেমেন্ট করা যাবে।

এছাড়াও যদি অধিদফতরের অনুমোদিত পাঁচ ব্যাংকের যে কোনো একটিতে টাকা জমা দিয়ে সেই জমা স্লিপের নম্বর এখানে দিতে হবে। এরপর ফাইল সাবমিট করতে হবে। এর ফলে আপনার তথ্যগুলো পাসপোর্টের কার্যালয়ের সার্ভারে চলে যাবে। পরবর্তী ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ (এনআইডি) প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদানের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে।

শেষ ধাপে ই-পাসপোর্ট প্রস্তুতের পর আবেদনকারীকে জানানো হবে৷ আবেদনকারী নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হয়ে ই-পাসপোর্ট গ্রহণ করবেন।

ই-পাসপোর্ট আবেদনের ৫(পাঁচ) টি ধাপ
ধাপ-১ : বর্তমানে বসবাসরত এলাকায ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না দেখুন । 

ধাপ-২ : অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করুন।
অনলাইন আবেদন : আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ক্লিক করুন ‘এখানে’

ধাপ-৩ : পাসপোর্ট ফি পরিশোধ । 
পাসপোর্ট ফি ও ব্যাংক পেমেন্ট এর জন্য ক্লিক করুন ‘এখানে’

ধাপ-৪ : ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ । 
ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়েছেন কি না নিশ্চিত হোন।

ধাপ-৫ : পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ । 
ডেলিভারী স্লিপ/রশিদ: এনরোলমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর প্রদেয় স্লিপ ।
অনুমোদিত প্রতিনিধির(নিজ জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে আনতে হবে) কাছে পাসপোর্ট প্রদান করা যাবে।

ই-পাসপোর্ট ফরম পূরণের নির্দেশাবলী

১। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করা যাবে।
২। ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না।
৩। ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।
৪। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRC) সনদ অনুযায়ী আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে।
৫। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারি যার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নাই, তার পিতা অথবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
৬। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRC) সনদ নম্নোক্ত বয়স অনুসারে দাখিল করতে হবে-
(ক) ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRC) সনদ।
(খ) ১৮-২০ বছর হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRC) সনদ
(গ) ২০ বছরের উর্ধে হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক । তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRC) সনদ গ্রহণযোগ্য হবে।
৭। তারকা চিহ্নিত ক্রমিক নম্বরগুলো অবশ্যই পূরণীয়।
৮। দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনের সাথে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত আদেশ দাখিল করতে হবে।
৯। আবেদন বর্তমান ঠিকানা সংশ্লিষ্ঠ বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস/আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস/বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে দাখিল করতে হবে।
১০। ১৮ বছরের নিম্নের এবং ৬৫ বছরের ‍উর্ধ্বে সকল আবেদনে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ০৫ বছর এবং ৪৮ পৃষ্ঠার।
১১। প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহ (যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) আপলোড/সংযোজন করতে হবে।
১২। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি (NOC)/ প্রত্যয়নপত্র/ অবসরোত্তর ছুটির আদেশ (PRL Order)/ পেনশন বই আপলোড/সংযোজন করতে হবে যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজ নিজ Website এ আপলোড থাকতে হবে। 
১৩। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে।
১৪। দেশের অভ্যন্তরে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফি এর উপর নির্ধারিত হারে ভ্যাট (VAT) সহ অন্যান্য চার্জ (যদি থাকে) অতিরিক্ত হিসাবে প্রদেয় হবে। বিদেশে আবেদনের ক্ষেত্রেও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি প্রদেয় হবে।
১৫। কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও ওয়েলফেয়ার উইং (Consular and Welfare Wing) অথবা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।
১৬। বৈদেশিক মিশন হতে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে স্থায়ী ঠিকানার কলামে বাংলাদেশের যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
১৭। অতি জরুরী পাসপোর্টের আবেদনের ক্ষেত্রে (নতুন ইস্যু) নিজ উদ্যোগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ পূর্বক আবশ্যিকভাবে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।
১৮। (ক) দেশের অভ্যন্তরে অতি জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ২ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
(খ) দেশের অভ্যন্তরে জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
(গ) দেশের অভ্যন্তরে রেগুলার পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
১৯। আবেদনের সময় মূল জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID), অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRC) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, সরকারি আদেশ (GO)/অনাপত্তি (NOC) প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।
২০। পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট প্রদশন করতে হবে।
২১। হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে মূল জিডির কপি প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।
২২। ০৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩ আর (3R Size) সাইজের ( ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড ) ছবি দাখিল করতে হবে।
২৩। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানাতে হবে। নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি, জিডি কপিসহ আবেদন দাখিল করতে হবে ।

ই-পাসপোর্ট ফি সংক্রান্ত বিষয়াদি

ই-পাসপোর্ট ফি নিম্নোক্ত উপায়ে প্রদান করা যাবে 
১। অনলাইন
(ক) কার্ড (মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস, ডিবিবিএল নেক্সাস), 
(খ) মোবাইল ব্যাংকিং (নগদ, বিকাশ, রকেট, ওকে ওয়ালেট, ইউপে), (গ) ইন্টারনেট ব্যাংকিং (ব্যাংক এশিয়া), (ঘ) ওয়ালেটস (ডিমানি, ইউপে) 

২। অফলাইন
এ-চালানের মাধ্যমে দেশের সকল সরকারি অথবা বেসরকারি ব্যাংক থেকে পরিশোধ করা যবে। 
নিয়মিত বিতরণ: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ হতে ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে।  
জরুরী বিতরণ: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ হতে ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে। 
অতীব জরুরী বিতরণ: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ হতে ২ কর্মদিবসের মধ্যে। 

সরকারি চাকরিজীবি যাদের এনওসি(NOC) /অবসর সনদ (PRL) রয়েছে তারা নিয়মিত ফি জমা দেওয়া সাপেক্ষে জরুরী সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আবেদনের ক্ষেত্রে (১৫% ভ্যাট সহ)
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ৪,০২৫ টাকা
জরুরী বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা 
অতীব জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা 

৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ৫,৭৫০ টাকা
জরুরী বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা
অতীব জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা
জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা
অতীব জরুরী বিতরণ: ১২,০৭৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা
জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা
অতীব জরুরী বিতরণ: ১৩,৮০০ টাকা

বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে (সাধারণ আবেদনকারী) 
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ১০০ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ১৫০  মার্কিন ডলার 

৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ১২৫ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ১৭৫ মার্কিন ডলার

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ১৫০ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ২০০ মার্কিন ডলার

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ১৭৫ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ২২৫ মার্কিন ডলার
 
বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে (শ্রমিক ও ছাত্র) 
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ৩০ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ৪৫  মার্কিন ডলার 

৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ৫০ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ৭৫ মার্কিন ডলার

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ১৫০ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ২০০ মার্কিন ডলার

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
নিয়মিত বিতরণ: ১৭৫ মার্কিন ডলার
জরুরী বিতরণ: ২২৫ মার্কিন ডলার

পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যেতে হবে
১। আবেদনপত্রের সারংশের প্রিন্ট কপি (অ্যাপয়েন্টমেন্ট সহ)
২। সনাক্তকরণ নথির প্রিন্ট কপি (জাতীয় পরিচয় পত্র/ জন্ম নিবন্ধন নং)
৩। পেমেন্ট স্লিপ 
৪। পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এবং ডাটা পেজের প্রিন্ট কপি (যদি থাকে) 
৫। সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে  GO/NOC (যদি থাকে) 
৬। তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র(যদি থাকে)
৭। আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি(ঐচ্ছিক ) 

ই পাসপোর্টের জন্য বাংলাদেশ সরকার বিশেষ ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন যেখানে সব তথ্য মিলবেঃ https://www.epassport.gov.bd/landing


এম আর পি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) এর কি হবে

এখন যারা এম আর পি ব্যবহার করছেন তাদের কোন সমস্যা হবে না। তবে নতুন করে আর কাউকে এম আর পি ইস্যু করা হবে না। এর অর্থ হল এখন থেকে যারা পাসপোর্ট করবেন তারা সরাসরি ই – পাসপোর্টই করবেন। এভাবে পর্যায়ক্রমে সব এম আর পি পাসপোর্ট তুলে নেয়া হবে। যাদের এম আর পি এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে তারা পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেলে সব তথ্য যাচাই করে ই -পাসপোর্ট দিয়ে দেয়া হবে।

মন্তব্যসমূহ

Popular Post

বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাসমূহ

রাঙ্গামাটি ভ্রমণ গাইড ( Rangamati vromon guide )

কাপ্তাই ভ্রমন ( Kaptai )

অবচেতন মন এবং আবেগ

মানসিক,স্নায়বিক,মাথাব্যাথা,মৃগিরোগ,মাদকাশক্তি ইত্যাদিতে ভোগান্তি? তাহলে পড়ুন এই পোস্ট।

জ্বিন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন (জ্বিন জাতির বিস্ময়কর ইতিহাস) বইটি পড়ুন

পলওয়েল পার্ক ( Polwel Park )

১০০ বছর আগে ঢাকার কিছু দুর্লভ ছবি (Some rare pictures of Dhaka 100 years ago)

চন্দ্রনাথ পাহাড় ( Chandranath Hill )